← Back

গাজা যুদ্ধের সমাপ্তি: ইসরায়েল-হামাস ঐতিহাসিক চুক্তি

যুদ্ধবিরতি, জিম্মি মুক্তি ও মানবিক সহায়তার নিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজা
ছবিঃ গাজা
দীর্ঘ দুই বছরের সংঘাত শেষে গাজা যুদ্ধের সমাপ্তির লক্ষ্যে হামাস ও ইসরায়েল মানবিক চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।

গাজার দুই বছরের বেশি সংঘাত শেষ করতে অবশেষে হামাস ও ইসরায়েল একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। মিশরে তিন দিনের কঠোর আলোচনা শেষে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ ২০ দফা পরিকল্পনার প্রথম ধাপে স্বাক্ষর করে।

চুক্তির প্রথম ধাপে হামাসের হাতে থাকা ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং বিনিময়ে ইসরায়েল ধাপে ধাপে ২০০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী ছেড়ে দেবে। এ ছাড়া, ইসরায়েলি সেনারা গাজার প্রধান অংশ থেকে নির্ধারিত সীমা ‘ইয়েলো লাইন’-এ সরে দাঁড়াবে এবং গাজার ৫৩% ভূমি নিয়ন্ত্রণে রাখবে। মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য প্রথম পাঁচ দিনে গাজায় প্রতিদিন ৪০০ ট্রাক ত্রাণ পাঠানো হবে এবং পরে তা আরও বাড়বে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হামাসের পক্ষ থেকে শিশু ও মহিলা বন্দিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মুক্তি দেওয়া হবে, পাশাপাশি রাফাহ সীমান্তও পুনরায় খুলে দেবে। চুক্তির পরবর্তী ধাপগুলিতে আরও জিম্মি মুক্তি এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হবে, যেমন—চূড়ান্ত পর্যায়ে গাজা থেকে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং সম্প্রতি নিহত ইসরায়েলিদের দেহাবশেষ ফেরত দেওয়া।

চুক্তি সম্পর্কে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, “সরকার এইমাত্র জীবিত ও মৃত সব জিম্মিকে মুক্তির বিষয়ে চুক্তির কাঠামো অনুমোদন করেছে।” ইতালির প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য বিশ্বনেতারা এই চুক্তিকে 'অসাধারণ খবর' এবং 'স্থায়ী শান্তির প্রথম ধাপ' বলে অভিহিত করেছেন।

গাজার জনগণের জন্য এই চুক্তি এক নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে, যেখান থেকে তাদের জীবনে শান্তি, নিরাপত্তা এবং মানবিক সহায়তা ফিরতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির বাস্তবায়ন ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জ এখনও বিদ্যমান। তারপরও, দীর্ঘদিন পরে দুই পক্ষের এই অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

নামাজের সময়

--:--:--
  • ফজর --:--
  • যোহর --:--
  • আসর --:--
  • মাগরিব --:--
  • এশা --:--
লোড হচ্ছে...

শহর নির্বাচন করুন